আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে প্রায় ৩৮৬টি কিশোর গ্যাং গ্রুপ সক্রিয়। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর এলাকায় ১৫৯টি এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন মহানগর ও জেলায় ২২৭টি গ্রুপের তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, রাজধানীতে এসব গ্যাংয়ের এক হাজার ২১৯ জন সদস্যের তথ্য রয়েছে; তাদের বয়স ১৬ থেকে ২৫ বছর।
কর্তৃপক্ষ বলছে, সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর পাশাপাশি মূল হোতা, মদদদাতা, আশ্রয়দাতা এবং মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের শনাক্তে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের ভাষ্য অনুযায়ী, গোয়েন্দা তথ্য, অপরাধের ধরন, ব্যক্তির ভূমিকা ও আইনগত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মোহাম্মদপুর, আদাবর, বসিলা, মিরপুর, পল্লবী, উত্তরা ও যাত্রাবাড়ীসহ কয়েকটি এলাকায় তৎপরতার তথ্য মিলেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু গ্রেপ্তার নয়, পারিবারিক দূরত্ব, শিক্ষাজীবনে অনিয়ম, অবসর সময়ের অভাব ও অপরাধী প্রভাবের মতো ঝুঁকিও মোকাবিলা জরুরি। তারা অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নজরদারি, কাউন্সেলিং, শিক্ষা অব্যাহত রাখা, পুনর্বাসন, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। কিশোরদের অপরাধে ব্যবহারকারী প্রাপ্তবয়স্কদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।