১ অক্টোবর শেষে সরকারের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে পুঞ্জীভূত ঋণ দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ৯৫ হাজার ১২৮ কোটি টাকা। এক বছর আগে একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১০ লাখ ২৭ হাজার ২৩২ কোটি টাকা। ফলে এক বছরে অভ্যন্তরীণ ঋণ বেড়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৮৯৭ কোটি টাকা। এই ঋণের প্রায় ৬০ শতাংশই নেওয়া হয়েছে ব্যাংক খাত থেকে।
চলতি অর্থবছরে ব্যাংক খাত থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। জুলাই থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যাংক থেকে নিট ২৭ হাজার ৭১০ কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ২৫ শতাংশ। ব্যাংক খাতে সরকারের ঋণ স্থিতি ৭ লাখ ১৩ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা; এর মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকের অংশ ৬ লাখ ১৪ হাজার ৫৬৭ কোটি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অংশ ৯৮ হাজার ৬১৯ কোটি টাকা।
ব্যাংকবহির্ভূত খাতে সরকারের ঋণ স্থিতি ৪ লাখ ৮১ হাজার ৯৪১ কোটি টাকা, যার মধ্যে সঞ্চয়পত্র খাতে ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে সুদ পরিশোধে বরাদ্দ ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, মোট বাজেটের ১৩.৬ শতাংশ। জুলাই-আগস্টে এনবিআর লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২৫ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা কম রাজস্ব আদায় করেছে। ড. জাহিদ হোসেন সরকারি ব্যয়ের অপচয় রোধ ও রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।