বাংলাদেশে আগস্ট শেষে কৃষি খাতের খেলাপি ঋণের হার দাঁড়িয়েছে ৪২ দশমিক ৩৮ শতাংশে, যা পুরো ব্যাংক খাতের ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশের চেয়ে বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, কৃষি খাতে মোট ঋণস্থিতি ছিল ৭০ হাজার ৪৩২ কোটি টাকা এবং এর মধ্যে খেলাপি ঋণ ২৯ হাজার ৮৪৯ কোটি টাকা। জুন শেষে খেলাপি ঋণ ছিল ১৮ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা বা ২৯ দশমিক ২২ শতাংশ; দুই মাসে তা বেড়েছে ১১ হাজার ২৭১ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ২০২৪ সালের নভেম্বরে জারি করা নতুন ঋণ শ্রেণিকরণ ও প্রভিশনিং নীতিমালাই অস্বাভাবিক বৃদ্ধির প্রধান কারণ। নতুন নিয়মে কিস্তি বা পুরো ঋণ পরিশোধের মেয়াদ শেষের পরদিন থেকেই ঋণ বকেয়া হিসেবে গণ্য হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সময়সীমা কঠোর করা এবং গ্রেস পিরিয়ড কমানোয় বিপুল পরিমাণ কৃষিঋণ একসঙ্গে খেলাপি হিসেবে শ্রেণিকৃত হয়েছে। নীতিমালা জারির আগে ২০২৪ সালের জুনে খেলাপি ঋণ ছিল ৩ হাজার ৮৭৭ কোটি টাকা।
চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে ব্যাংকগুলো কৃষি ও পল্লি খাতে ৬ হাজার ৮৫৮ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে, যা ৬০ হাজার কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার ১১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। একই সময়ে আদায় হয়েছে ৭ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা। কর্মসূচিতে মাছের পোনা উৎপাদনের হ্যাচারি, হাঁস-মুরগির বাচ্চা উৎপাদন ও উট পালন যুক্ত হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।