২০২৪ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ সরকার নির্বাহী আদেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। একই দিনে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার হেফাজতে থাকা কোটা সংস্কার আন্দোলনের ছয় শীর্ষ ছাত্রনেতাকে দুপুর দেড়টার দিকে নিজ নিজ বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়। তারা চার থেকে ছয় দিন ডিবি হেফাজতে ছিলেন এবং ৩২ ঘণ্টার অনশনের পর মুক্তি পেয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮(১) ধারায় প্রজ্ঞাপন জারি করে নিষেধাজ্ঞা দেয়। এর ফলে জামায়াত-শিবির ও তাদের অঙ্গসংগঠন রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে না। তৎকালীন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, সহিংসতায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপরাধের প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তিনি বলেন।
শহীদ ও আহতদের স্মরণে সারা দেশে ‘রিমেম্বারিং আওয়ার হিরোজ’ কর্মসূচি পালিত হয়; বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাধা, ধাওয়া ও আটকের ঘটনা ঘটে। পরদিন জুমার নামাজের পর দোয়া, কবর জিয়ারত, উপাসনালয়ে প্রার্থনা এবং ছাত্র-জনতার গণমিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। জাতিসংঘ সহিংসতা ও হতাহতের তদন্তে চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশকে সহায়তার প্রস্তুতির কথা জানায়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।