মানবাধিকার সংস্থা অধিকার মন্ত্রিসভায় ৩ আগস্ট অনুমোদিত ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর কয়েকটি ধারা নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে। ৪ আগস্ট প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে, বর্তমান আকারে আইনটি পাস হলে গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবার আরও বেশি আইনি জটিলতা ও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন। জনস্বার্থ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আইনটি সংশোধন করে সংসদে পাসের আহ্বান জানিয়েছে তারা।
অধিকারের প্রধান আপত্তি প্রস্তাবিত আইনের ১৪ ধারা নিয়ে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের ওপর দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির মতে, অভিযুক্ত বাহিনীর বিরুদ্ধে পুলিশের তদন্ত নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হওয়ার সম্ভাবনা নেই; এতে পক্ষপাত এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়মুক্তির সুযোগ তৈরি হতে পারে। তারা বলেছে, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে পুলিশ গুমের ঘটনায় জিডি গ্রহণ করত না।
বিবৃতিতে ২১ ধারারও বিরোধিতা করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হলে অভিযোগকারীর সর্বোচ্চ পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান ভুক্তভোগী ও পরিবারকে প্রতিকার চাইতে নিরুৎসাহিত করতে পারে বলে অধিকারের আশঙ্কা। সংস্থাটি পুলিশের বদলে স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বা বিশেষ তদন্ত কমিশনকে তদন্তের ক্ষমতা দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।