দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর হামলা চালাচ্ছে, কিন্তু কোনো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ তেহরানকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি। বরং অনেক দেশ ইরানকে হুমকি হিসেবে দেখছে। সাম্প্রদায়িক বিভাজন, পারস্পরিক অবিশ্বাস, জাতীয় স্বার্থ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীলতা মুসলিম দেশগুলোর অবস্থানকে প্রভাবিত করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রমজান মাসে প্রতিবেশী আরব দেশগুলোর ওপর ইরানের হামলা তাদের মধ্যে অবিশ্বাস আরও বাড়িয়েছে।
১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে ইরান নিজেকে মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলেও, সুন্নি-শিয়া বিভাজন এবং আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা তাকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। ২০২৩ সালে সৌদি আরবের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের পরও সাম্প্রতিক হামলার ফলে উপসাগরীয় দেশগুলো আবারও ইরানকে অস্থিতিশীলতার উৎস হিসেবে দেখছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তার আঞ্চলিক প্রভাব কমে গেছে।
চলমান সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সৌদি আরব এখন ইসরায়েলের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াতে পারে, যাতে ইরানের সম্ভাব্য হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা জোরদার করা যায়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।