সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার উচ্চপর্যায়ের বৈঠককে কেন্দ্র করে পাকিস্তান রাজধানী ইসলামাবাদে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। শহরজুড়ে ১০ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং পার্শ্ববর্তী প্রদেশগুলো থেকে আরও ১০ হাজার অতিরিক্ত বাহিনী যুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশের মহাপরিদর্শকের নির্দেশে বিশেষ তল্লাশি ও কম্বিং অপারেশন শুরু হয়েছে, প্রবেশ ও বাহির পথে অতিরিক্ত চেকপোস্ট বসানো হয়েছে এবং টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বাস টার্মিনালগুলোতেও চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী, সেনাপ্রধান ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানরা এই ‘ঐতিহাসিক’ আয়োজনে বিশ্বনেতাদের স্বাগত জানাতে কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরমাণু ইস্যুতে বড় ধরনের অগ্রগতির সম্ভাবনা রয়েছে এবং তেহরান থেকে ওয়াশিংটন পর্যন্ত কূটনীতিকরা নিবিড় যোগাযোগ রাখছেন। ইসলামাবাদ বিশ্বনেতাদের জন্য নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পর এই প্রস্তুতি শুরু হয়, যেখানে তিনি সপ্তাহ শেষে ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার বৈঠকের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন। প্রথম দফার বৈঠক ১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হলেও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।