জ্বালানি তেলের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং অবৈধ মজুত ও কৃত্রিম সংকট রোধে সরকার পেট্রোল পাম্পে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব কর্মকর্তারা ১৩টি নির্দিষ্ট কাজ করবেন, যার মধ্যে রয়েছে দৈনিক মজুত রেকর্ড রাখা, ডিপো থেকে সরবরাহকৃত তেলের পরিমাণ যাচাই, বিক্রয় রেজিস্টার পর্যবেক্ষণ এবং ডিসপেন্সিং মেশিনের পরিমাপ সঠিক আছে কি না তা তদারকি করা। তারা অনুমোদিত মজুত ক্ষমতা যাচাই করবেন এবং অননুমোদিত ট্যাংক বা স্থাপনা আছে কি না তা পরীক্ষা করবেন।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ট্যাগ অফিসারদের প্রতিদিনের কার্যক্রম তদারকি করতে হবে, যেমন ডিপো থেকে তেল গ্রহণের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খুচরা বিক্রি শুরু হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করা। প্রতিটি পাম্পে দিনে অন্তত তিনবার স্টক আপডেট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাম্প খোলা আছে কি না, রেজিস্টার সঠিক আছে কি না, ক্যাশ মেমো দেওয়া হচ্ছে কি না—এসব বিষয় জিও-ট্যাগ প্রমাণসহ রিপোর্ট করতে হবে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে জ্বালানি বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং সারাদেশে জ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।