Web Analytics

বাংলাদেশে বাংলা কিউআর পেমেন্ট ব্যবস্থার নতুন ধাপ ১ নভেম্বর থেকে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে, যা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি বা পিটুপি লেনদেনে ব্যবহারের সুযোগ বাড়াতে পারে। উপযুক্ত ব্যবস্থা ও অংশগ্রহণকারী সেবাদাতা থাকলে বাসভাড়া, চায়ের বিল, ছোট কেনাকাটা এবং ব্যক্তিগত অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে খুচরা টাকার ওপর নির্ভরতা কমানোর সম্ভাবনা তৈরি হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল আর্থিক সেবার মধ্যে অভিন্ন কিউআর কোডে লেনদেন সহজ করতে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ‘ওয়ান কান্ট্রি, ওয়ান কিউআর’ উদ্যোগ শুরু করে। স্মার্টফোনের উপযুক্ত অ্যাপ দিয়ে কোড স্ক্যান, প্রাপকের পরিচয় ও টাকার পরিমাণ যাচাই করে পেমেন্ট করা যায়। তবে নতুন ধাপের কার্যকর তারিখ, সেবার পরিধি ও ব্যবহারের শর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা অনুসরণ জরুরি।

ডিজিটাল রেকর্ড ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বিক্রি ও দৈনিক আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখতে সহায়তা করতে পারে এবং অন্যান্য নথি ও ঋণনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকলে আর্থিক সক্ষমতা মূল্যায়নে কাজে লাগতে পারে। তবে সাইবার নিরাপত্তা, নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ, ডিজিটাল দক্ষতা, লেনদেন ফি, অর্থ জমার সময়, ভুল লেনদেন ফেরত এবং অভিযোগ নিষ্পত্তি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। শুধু ডিজিটাল রেকর্ড থাকলেই ঋণ নিশ্চিত বা কর ফাঁকি ও দুর্নীতি দূর হবে না।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।