একটি মতামতধর্মী লেখায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডে দীর্ঘদিনের বিচারহীনতার সংস্কৃতি মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্যার এএফ রহমান হলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু বকর সিদ্দিক নিহত হওয়ার ঘটনা এবং ২০২৫ সালের ১৩ মে রাতে টিএসসির নিকটবর্তী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য ছুরিকাঘাতে নিহত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
লেখাটি বলছে, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর আবু বকর হত্যা মামলার ১০ অভিযুক্তই খালাস পান। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে রাষ্ট্রপক্ষ খালাসের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করেনি বলেও উঠে এসেছিল। সাম্য হত্যার ঘটনায় তাঁর পরিবার ও সহপাঠীরা এখনো সুষ্ঠু বিচার পাননি বলে লেখক উল্লেখ করেছেন। প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা, রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার, তদন্তে দীর্ঘসূত্রতা, জবাবদিহির অভাব এবং সময়ের সঙ্গে ঘটনাগুলো বিস্মৃত হওয়ার প্রবণতাকে এই অবস্থার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে নিহত শিক্ষার্থীদের মামলা ও তদন্তের তথ্যসহ একটি পূর্ণাঙ্গ আর্কাইভ তৈরি এবং প্রশাসন, ডাকসু, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ও প্রয়োজনে আইনজীবীদের সমন্বয়ে স্বাধীন পর্যবেক্ষণ সেল গঠন। লেখাটি রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে তদন্ত, ধারাবাহিক শিক্ষার্থী-সচেতনতা এবং টিএসসি, কার্জন হল ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় নিরাপত্তা টহল ও আধুনিক সিসিটিভি বাড়ানোর কথাও বলেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।