ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লোকসভার আসনসংখ্যা ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ করার প্রস্তাব দিয়েছেন, যা বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নিম্নকক্ষ হবে। প্রস্তাবিত সাংবিধানিক সংশোধনীতে এক-তৃতীয়াংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষণের পরিকল্পনাও রয়েছে। মঙ্গলবার সংসদে তিনটি খসড়া বিল উপস্থাপন করা হয় এবং ১৬ এপ্রিল থেকে বিশেষ অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। মোদি বলেন, আইনসভায় নারীদের কণ্ঠস্বর শক্তিশালী হলে গণতন্ত্রও শক্তিশালী হবে।
অধিকারকর্মী রঞ্জনা কুমারী এই পদক্ষেপকে দীর্ঘদিনের দাবির বাস্তবায়ন হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন, উল্লেখ করে যে বর্তমানে সংসদে মাত্র ১৩ শতাংশ নারী সদস্য আছেন। তবে সমালোচকেরা বলছেন, আসন পুনর্নির্ধারণে বিজেপি সুবিধা পাবে, কারণ এটি উত্তর ভারতের জনবহুল রাজ্যগুলোতে তাদের প্রভাব বাড়াবে এবং দক্ষিণের বিরোধী নিয়ন্ত্রিত রাজ্যগুলো আসন হারাবে। বিরোধীরা নারী কোটা সমর্থন করলেও আসন পুনর্বিন্যাসের বিরোধিতা করছে।
এই সংশোধনী পাসে দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন। সরকার ২০১১ সালের আদমশুমারির তথ্য ব্যবহার করে ২০২৯ সালের নির্বাচনের আগেই নারী সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়ন করতে চায়, যদিও বিরোধীরা আশঙ্কা করছে এতে রাজনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।