কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ের রাজনৈতিক কর্মী আরিফ উল্লাহ তার ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রাম ও নির্যাতনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত এই কবি ও লেখক জানান, তার তীব্র লেখনী ও কবিতা পাঠের কারণে বারবার হামলা ও মামলার শিকার হতে হয়েছে। এমনকি তার অল্পবয়সী ভাতিজাকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করে নির্যাতন করে। ২০১৮ সালের নির্বাচনে ভোট ডাকাতি প্রতিরোধ করতে গিয়ে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিস্ফোরক আইনে মামলার মুখে পড়ে সৌদি আরবে নির্বাসিত হন।
২০১২ সালে প্রকাশিত তার বই ‘ডিজিটাল ভাইরাসে আক্রান্ত বাংলাদেশ’-এর মোড়ক উন্মোচন করেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। ইলিয়াস আলী নিখোঁজের প্রতিবাদে তিনি রাজপথে ক্রিকেট খেলে ব্যতিক্রমধর্মী কর্মসূচি পালন করেন। প্রবাসে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে ফিরে নির্বাচনি কাজে যুক্ত হন এবং পরে চিকিৎসা নেন। এত ত্যাগ স্বীকার করেও তিনি জানান, দলে তার কোনো পদবি নেই এবং কেউ তার খোঁজ নেয়নি।
আরিফ আশা প্রকাশ করেন, যে কবিতার কারণে তাকে দেশ ছাড়তে হয়েছিল, সেটি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিতে চান এবং একবার সাক্ষাৎ পেলে তার সংগ্রাম পূর্ণতা পাবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।