ঢাকা টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে বাংলাদেশ, যেখানে পেসার ও স্পিনাররা ভাগাভাগি করে নিয়েছেন ২০ উইকেট। শেষ দিনের শেষ সেশনে নাহিদ রানার আগুনঝরা বোলিংয়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ ভেঙে পড়ে। ৪.৫ ওভারে ১০ রানে চার উইকেট নেওয়া তার স্পেল ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। দীর্ঘ এক দশক পর বাংলাদেশের কোনো টেস্ট জয়ে পেস ও স্পিনের এমন ভারসাম্য দেখা গেল।
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত জানান, পাঁচজন বোলারের ওপর আস্থা রেখেই তারা দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪০ রানে ৯ উইকেটে ইনিংস ঘোষণা করেছিলেন। মেহেদী হাসান মিরাজ প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেন, আর তাইজুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আঘাত হানেন। শান্ত বিশেষভাবে উল্লেখ করেন নাহিদ রানার রিভার্স সুইং ডেলিভারির কথা, যা মোহাম্মদ রিজওয়ানকে বোল্ড করে ম্যাচের গতি পাল্টে দেয়।
এই জয় বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে, যেখানে স্পিনের চাতুর্যের পাশে দাঁড়িয়েছে আগুনঝরা গতি। মিরপুর টেস্টে দেখা গেছে আত্মবিশ্বাসী এক বাংলাদেশ, যারা শুধু জিততে নয়, প্রতিপক্ষকে জবাব দিতেও জানে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।