সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশব্যাপী আনুমানিক ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সোমবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ পরিকল্পনা জানান। তাঁর মতে, নারীর ক্ষমতায়ন, অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই কর্মসূচিটির লক্ষ্য।
সোমবার থেকে দেশব্যাপী একযোগে খানাভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। এ কাজে ৬৬ হাজার ৬১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ৬ হাজার ৬৮১ জন সুপারভাইজার নিয়োজিত আছেন; তাঁদের প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। তথ্য সংগ্রহকারীরা বিশেষায়িত ট্যাবলেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাড়ি বাড়ি তথ্য নেবেন এবং তা সরাসরি অনলাইন ডেটাবেজে জমা হবে। কার্ড তৈরি, সাইবার নিরাপত্তা, জনবল ব্যবস্থাপনা ও এনওসি রুম স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
গত ১০ মার্চ পাইলট কার্যক্রম শুরু হয় এবং নির্বাচিত ১৪ জেলার এলাকায় ১ লাখ ১২ হাজার ৯৪০ পরিবারের তথ্য নেওয়া হয়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের মধ্যে ১২ হাজার কোটি টাকা ভাতার জন্য রাখা হয়েছে। এ অর্থবছরে নতুন ৪০ লাখ নারীপ্রধান পরিবারকে কার্ড ও ভাতা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। পিএমটি স্কোর অনুযায়ী যোগ্য পরিবার বাছাই করা হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।