স্থানীয় কাঁচামাল ও সৃজনশীলতার সঙ্গে আধুনিক নকশা এবং প্রযুক্তির সমন্বয়ে উচ্চ মূল্য সংযোজনের পণ্য তৈরিতে নতুন কৌশল নিয়েছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন বা বিসিক। নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ জানান, এ পরিকল্পনায় একটি গ্রাম একটি পণ্য, ন্যাশনাল পুল অব ডিজাইনার্স, সৃজনশীল অর্থনীতি এবং উৎপাদক-ক্রেতার সরাসরি সংযোগে প্রস্তাবিত বিসিক বাজার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এলডিসি উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো এবং গ্রামীণ কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধিই উদ্যোগগুলোর লক্ষ্য। বিসিকের ১৫টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র দেশজুড়ে কাজ করছে; সেখানে তিন মাসের ১৮০ ঘণ্টা ও ছয় মাসের ৩৬০ ঘণ্টার কোর্স চালু রয়েছে। মতিঝিলের কেন্দ্রীয় নকশা কেন্দ্র চামড়াজাত পণ্য, হস্তশিল্প, পাটজাত পণ্য, ব্লক-বাটিক ও মৃৎশিল্পের নকশা উন্নয়নে কাজ করছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিসিকের আওতাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদিত পণ্যের মূল্য ছিল ৬৫ হাজার ৩৫১ কোটি টাকা এবং ভ্যাট-কর বাবদ অবদান ছিল ৪ হাজার ৪২৭ কোটি টাকা। বিসিকের আওতায় রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত ৮৮৭টি শিল্প ইউনিটের রপ্তানি আয় প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের বড় শিল্পের সরবরাহ ব্যবস্থায় যুক্ত করতে সাবকন্ট্রাক্টিং কার্যক্রম বেসরকারি খাতের সঙ্গে সংযোগের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।