বাংলাদেশে জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম পরপর বাড়ায় সাধারণ মানুষের জীবনে চরম প্রভাব পড়েছে। জ্বালানি তেলের দাম লিটারে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা পর্যন্ত এবং বিদ্যুতের দাম ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে পরিবহন ভাড়া, এলপিজি সিলিন্ডার ও নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে পৌঁছেছে, যা সরকারের ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রাকে আরও কঠিন করে তুলছে।
অর্থনীতিবিদ ও ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোর মতে, বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি ও অপচয়ই ঘাটতির মূল কারণ। তারা অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিইআরসি) জনগণের স্বার্থের পরিবর্তে লুটেরাদের স্বার্থ রক্ষা করছে। ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো সতর্ক করেছে যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে, রপ্তানি প্রতিযোগিতা কমবে এবং কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে পড়বে।
আসন্ন বাজেটকে সামনে রেখে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ঋণ পরিশোধ এবং অর্থনীতিতে গতি ফিরিয়ে আনা হবে সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রভাব সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও শিল্প খাতে আরও চাপ সৃষ্টি করবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।