Web Analytics

আমার দেশ অনলাইনে ২০ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিদেশে সরকারকে প্রভাবিত বা পরিবর্তনের যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফলাফল পর্যালোচনা করা হয়েছে। এতে ইরানকে কেন্দ্রীয় উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৫৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ ও ব্রিটেন ইরানের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেককে ক্ষমতাচ্যুত করে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভিকে পুনরায় ক্ষমতায় আনে। তেলশিল্প জাতীয়করণের উদ্যোগ পশ্চিমা বিরোধিতার অন্যতম কারণ ছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শাহের কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে রূপ নেয় এবং আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বে শাহের পতন ঘটে। এরপর ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র থেকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীতে পরিণত হয়। ইরাক-ইরান যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা, পারমাণবিক কর্মসূচি ও ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ে। ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ২০১৮ সালে বেরিয়ে যায় এবং নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করে।

ইরাক, আফগানিস্তান ও লিবিয়ায় মার্কিন বা পশ্চিমা হস্তক্ষেপের ফল মিশ্র ছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গুয়াতেমালা, ব্রাজিল ও চিলিতে শীতল যুদ্ধকালীন যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত হস্তক্ষেপের অভিযোগও রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সরকার উৎখাতের চেয়ে পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন; তাই সামরিক বা পারমাণবিক সক্ষমতা মোকাবিলা এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থা বদলের প্রচেষ্টার মধ্যে পার্থক্য করা উচিত।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।