টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বংশাই নদীর পূর্বপাড়ে নির্মাণের মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই একটি গাইডওয়াল ধসে পড়েছে, ফলে পাশের রাস্তা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নদীভাঙন থেকে রাস্তা রক্ষায় সিমেন্ট-পাথরের ব্লক বসিয়ে প্যালাসাডিং পদ্ধতিতে দেয়ালটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ঘটনাটি কুড়ালিয়া ইউনিয়নের মলকা গ্রামে ঘটে। এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন, ঠিকাদারের দুর্নীতি ও প্রকৌশলীর তদারকির অভাবেই এমন হয়েছে।
চুনিয়া-মলকা সড়কের ২ দশমিক ২ কিলোমিটার অংশ নির্মাণের জন্য ২০২১–২০২২ অর্থবছরে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় প্রায় ২ কোটি ১৪ লাখ টাকা। জামালপুরের মেসার্স মিতু ট্রেডার্স ১ কোটি ৯৯ লাখ টাকায় কাজটি পায়। ঠিকাদারের গড়িমসি ও অনুপস্থিতির পর সাব ঠিকাদার লিচু মিয়া চলতি বছরের শুরুতে কাজ শেষ করেন ৩০ এপ্রিল। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের কারণেই দেয়ালটি ধসে পড়েছে।
সাব ঠিকাদার লিচু মিয়া জানান, অসময়ে পানি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ব্লক ধসে পড়েছে এবং দ্রুত মেরামত করা হবে। উপসহকারী প্রকৌশলী ভারী বৃষ্টিকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন, তবে নির্বাহী প্রকৌশলী ঊর্ধ্বতন অনুমতি ছাড়া মন্তব্য করতে রাজি হননি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।