যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক সার সরবরাহে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটছে। এমন পরিস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ বাজার সুরক্ষায় চীন সার রপ্তানি সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রয়টার্সের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের মার্চের মাঝামাঝি সময়ে বেইজিং নাইট্রোজেন-পটাশিয়াম সার মিশ্রণ ও কিছু ফসফেটজাতীয় সার রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে। ইউরিয়া রপ্তানির আগের নিষেধাজ্ঞা ও কোটার পাশাপাশি এখন কেবল হাতে গোনা কয়েক ধরনের সার, বিশেষ করে অ্যামোনিয়াম সালফেট, রপ্তানি করা যাচ্ছে। এতে গত বছরের তুলনায় চীনের সার রপ্তানি অর্ধেক থেকে তিন-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে, যা প্রায় ৪ কোটি মেট্রিক টন পর্যন্ত হতে পারে বলে রয়টার্স জানিয়েছে।
চীন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সার রপ্তানিকারক দেশ, গত বছর দেশটি ১৩০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের সার রপ্তানি করেছিল। নতুন নিষেধাজ্ঞা এমন সময়ে এসেছে, যখন হরমুজ প্রণালি দিয়ে সার পরিবহন কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে, যা বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বহন করে। বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক সংকটের সময় চীন সাধারণত রপ্তানি সীমিত করে খাদ্য নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ বাজারের স্থিতি রক্ষায় মনোযোগ দেয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।