রাজধানীর মিরপুরে যুবদল কর্মী মো. ইউসুফ হত্যা মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। ডিবির ভাষ্য, কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বাবুকে হত্যার জন্য ২৫ লাখ টাকার চুক্তিতে চার পেশাদার শুটার ভাড়া করা হয়েছিল, কিন্তু হামলায় লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ইউসুফ নিহত হন। ২৩ জুলাই কাফরুল থানার ওপেক্স গার্মেন্টসের দক্ষিণ পাশের লিংক রোডে গুলির ঘটনায় ইউসুফ নিহত এবং দুই সবজি বিক্রেতা আহত হন।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম মিন্টো রোডের ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তে সিএনজি হাফিজ নামে পরিচিত হাফিজুর রহমান হাফিজকে পরিকল্পনার মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করার কথা বলেছে সংস্থাটি। স্থানীয় ময়লার টেন্ডার, ফুটপাতের দোকান, ব্যবসা ও একটি টিনশেড বাড়ির দখল নিয়ে তাঁর সঙ্গে হাফিজুল ইসলাম বাবুর দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল বলে ডিবির দাবি।
ডিবির তথ্য অনুযায়ী, ২৯ জুন অস্ত্রে মিসফায়ারের কারণে প্রথম হত্যাচেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে সন্দেহভাজনরা ২২ জুলাই ঢাকায় এসে মিরপুর-২ এলাকার একটি হোটেলে ওঠেন এবং পরদিন হামলা চালান বলে পুলিশ জানিয়েছে। একটি অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে এবং বাকি অস্ত্রের উৎস শনাক্তে তদন্ত চলছে। কাফরুল থানায় হত্যা ও অস্ত্র আইনে দুটি মামলা হয়েছে; হত্যা মামলাটি ডিবি তদন্ত করছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।