এশিয়া টাইমস অবলম্বনে প্রকাশিত এক মন্তব্যধর্মী নিবন্ধে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সামরিক ব্যর্থতার ধারার আরেকটি উদাহরণ হয়ে উঠেছে। নিবন্ধটির ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছেন। ইরান প্রণালিতে অবরোধ বজায় রেখেছে এবং বলেছে, টুইট, বিমানবাহী রণতরী, আদেশ বা নির্বাচনি ভাষণ দিয়ে এটি দখল করা যাবে না।
নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে, ২০০১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক খাতে আনুমানিক ২১ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করলেও কোনো উল্লেখযোগ্য যুদ্ধে জয় পায়নি। এতে আরও বলা হয়, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তার গুরুত্বপূর্ণ রিপার ড্রোনের প্রায় এক-চতুর্থাংশ হারিয়েছে। এসব ড্রোনের মোট মূল্য ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি এবং অধিকাংশ হরমুজ প্রণালির আশপাশে কম দামের ইরানি ড্রোনে ভূপাতিত হয়েছে বলে নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়।
নিবন্ধ অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন এখন হরমুজ প্রণালি খুলে দিয়ে বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাস সরবরাহ এবং জ্বালানির দামের স্থিতিশীলতা চায়, পাশাপাশি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে চায়। একটি জরিপের উদ্ধৃতি দিয়ে এতে বলা হয়েছে, ইরান পরিস্থিতি সামলানোয় ট্রাম্পের পদক্ষেপে সম্ভাব্য ভোটারদের ২৯ শতাংশ সমর্থন জানায়। ওমান বাধা দিলে ভয়াবহ বোমা হামলার হুমকিও দিয়েছেন ট্রাম্প, বলেছে নিবন্ধটি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।