ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের পূর্ণাঙ্গ পাঠ প্রকাশের পর এর শর্ত নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের ছাড় স্পষ্ট হলেও ইরানের তাৎক্ষণিক প্রতিশ্রুতি তুলনামূলকভাবে সীমিত। দুই ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই চুক্তিতে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা, মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া এবং ইরানের ওপর তেল, পেট্রোকেমিক্যাল, ব্যাংকিং, বীমা ও পরিবহন খাতে থাকা নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার কথা বলা হয়েছে। এতে ইরান বছরে ৬০ থেকে ৭০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত অর্থনৈতিক সুবিধা পেতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
চুক্তিতে ইরানের জব্দ করা সম্পদ মুক্ত করা এবং ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন তহবিল গঠনের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ রয়েছে, যা ৬০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক অংশীদাররা তৈরি করবে। ইরান পুনরায় নিশ্চিত করেছে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, তবে বিস্তারিত বাধ্যবাধকতা চূড়ান্ত চুক্তির জন্য রাখা হয়েছে। সমালোচকরা বলছেন, ক্ষেপণাস্ত্র, মানবাধিকার ও আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিষয়ে কোনো স্পষ্ট শর্ত নেই।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিকতা ফিরলেও ৬০ দিনের আলোচনায় অচলাবস্থা দেখা দিলে এই শান্তি উদ্যোগের স্থায়িত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।