Web Analytics

বায়োসায়েন্সে ১৪ অক্টোবর প্রকাশিত স্টেট অব দ্য ক্লাইমেট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পৃথিবীর জলবায়ুব্যবস্থা ক্রমেই অস্থিতিশীল হচ্ছে এবং ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ জলবায়ু সূচকের সাতটি রেকর্ড চরম অবস্থায় পৌঁছেছে। গবেষকেরা গ্রিনহাউস গ্যাসের ঘনত্ব, তাপমাত্রা পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা, দাবানলে পোড়া ভূমি ও উদ্ভিদ আচ্ছাদন বিশ্লেষণ করেছেন। বর্তমান প্রবণতা চললে ২০৫০ সালের আগেই বৈশ্বিক উষ্ণতা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়াতে পারে বলে বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা।

১৮৮০ থেকে ১৯৭০ পর্যন্ত প্রতি দশকে গড় তাপমাত্রা প্রায় ০.০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়লেও ২০১০ থেকে ২০২৪ সময়ে বৃদ্ধি ছিল প্রতি দশকে প্রায় ০.৩৬ ডিগ্রি। ২০২৬ সালের মে মাসে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব ৪২৮ অণু প্রতি ১০ লাখ অণু ছাড়ায়; মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইডও রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছায়। ২০২৫ সালে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার ০.৯ শতাংশ বেড়েছে এবং জ্বালানিসংশ্লিষ্ট কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ ৪১ বিলিয়ন টন ছাড়িয়েছে।

প্রতিবেদনে প্রবালপ্রাচীর, তাপপ্রবাহ, দাবানল ও উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর ঝুঁকির কথা বলা হয়েছে। ২০২৫ সালে কম-কার্বন উৎস থেকে বিশ্ব বিদ্যুতের প্রায় ৪৩ শতাংশ এলেও জীবাশ্ম জ্বালানির চাহিদা কমেনি। বিজ্ঞানীরা দ্রুত নিঃসরণ কমানো, জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভরতা হ্রাস, বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং অভিযোজন উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।