সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই কতজন প্রার্থী বাদ পড়েছেন তা জানা যাবে। সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, এখনো ৮১৭ জনের নিয়োগপত্র দেওয়া বাকি রয়েছে। নিয়োগপ্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ার আগে ২০ বা ৫০ জন বাদ পড়ছেন—এ ধরনের তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, অনেক প্রার্থীর ঠিকানা পরিবর্তিত হওয়ায় পর্যায়ক্রমে যাচাই করে নিয়োগপত্র পাঠানো হচ্ছে।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে কিছু গণমাধ্যমে বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা ছড়ানোর অভিযোগ করেন মন্ত্রী। দুই প্রার্থীর বক্তব্যভিত্তিক প্রতিবেদনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা বক্তব্য দিয়েছেন তারা চিঠি পেয়েছেন; আরেক প্রার্থীর ফল পাওয়ার আগেই প্রচার শুরু হয়েছিল। রাজনৈতিক কারণে যাচাইয়ে কাউকে বাদ দেওয়া হবে কি না—এ প্রশ্ন এড়িয়ে যান তিনি। প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি বন্ধে কোনো সার্কুলার হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, বদলি করতে হবে এবং দুর্নীতি হলে তা অনলাইনে করা হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।