Web Analytics

তিন বছর বন্ধ থাকার পর গাজা উপত্যকায় নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়েছে, তবে অধিকাংশ শিক্ষার্থী স্বাভাবিক শ্রেণিকক্ষে ফিরতে পারছে না। যুদ্ধের কারণে স্কুল ভবন ধ্বংস, ক্ষতিগ্রস্ত বা বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হওয়ায় তাঁবুভিত্তিক অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষ চালু করা হয়েছে। শনিবার গাজা সিটিতে এসব তাঁবুতে শিক্ষার্থীদের পাঠ নিতে দেখা গেছে। ফিলিস্তিনের শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উপত্যকাজুড়ে প্রায় ৭০০টি তাঁবুতে প্রায় ৫ লাখ ৪১ হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় বলেছে, নতুন শিক্ষাবর্ষে সরাসরি পাঠদান ও অনলাইন—দুই পদ্ধতিই চালু রয়েছে। গাজার ভেতরের প্রায় ৭০ হাজার এবং উপত্যকার বাইরের ২০ হাজার শিক্ষার্থী অনলাইন শিক্ষায় যুক্ত হবে। তবে সরাসরি পাঠদানকেই প্রধান পদ্ধতি রাখা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৭০০ শিক্ষাকেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে এবং আরও ২৫টি অস্থায়ী স্কুল শিগগির চালুর কথা জানানো হয়েছে। প্রচণ্ড গরম ও তাঁবুতে পাঠদানের পরিস্থিতির কারণে শিক্ষাবর্ষ শুরুও পিছিয়েছে।

ইউএনআরডব্লিউ জানিয়েছে, গাজার প্রায় ৯২ শতাংশ স্কুল ভবন সম্পূর্ণ বা আংশিক ধ্বংস হয়েছে এবং প্রায় ৬ লাখ ৫৮ হাজার শিশু যথাযথ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। মন্ত্রণালয়ের হিসাবে ২০২৩ থেকে ২০২৬ সময়ে বার্ষিক শিক্ষাদিবস ২০০ থেকে প্রায় ৬০ দিনে নেমেছে, আর সাপ্তাহিক ক্লাস ৩০ ঘণ্টা থেকে ১২ ঘণ্টায় কমেছে। অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষে বেঞ্চ-চেয়ার, বই, খাতা ও কলমেরও ঘাটতি রয়েছে।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।