কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা মো. জিসান মিয়ার নিখোঁজ ও উদ্ধার হওয়া নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার রাতে লাকসাম থেকে উদ্ধার হওয়ার পর জিসান দাবি করেন, তাকে গাড়িযোগে অপহরণ করা হয়েছিল। তবে পুলিশ জানায়, তিনি স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন। জিসানের ভাই নিখোঁজের জিডি করার পর মোবাইল ট্র্যাকিংয়ে লিজা আক্তারের সঙ্গে তার যোগাযোগের তথ্য মেলে। পরে লিজাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, জিসানের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং বিয়ে না করে অপহরণের নাটক সাজান জিসান। এ ঘটনার পর লিজা ধর্ষণের মামলা করেন।
জিসান বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, যেখানে চার সদস্যের মেডিকেল বোর্ড তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাথমিক পরীক্ষায় কোনো জটিলতা পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে লিজা ও তার বাবাকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক জানান, প্রেমের সম্পর্ক প্রমাণিত হওয়ায় সংগঠন থেকে জিসানকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং নিখোঁজ ঘটনার প্রকৃত রহস্য এখনো উদ্ঘাটিত হয়নি।
এ মামলায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।