২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর ঢাকার সাবেক গণভবনে স্থাপিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ এখনো সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকার রাজকীয় ভবনটিকে বিপ্লবের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রূপান্তরের ঘোষণা দিলেও প্রশাসনিক জটিলতা ও রাজনৈতিক অনীহায় উদ্বোধন বিলম্বিত হচ্ছে। ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল জাতীয় সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল, ২০২৬’ পাসের মাধ্যমে প্রকল্পটি স্থায়ী আইনি কাঠামো পেলেও এখনো মূল ফটক বন্ধ রয়েছে।
শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত যোদ্ধারা এ বিলম্বে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ প্রশাসনের ভেতরে প্রভাবশালী আমলাদের কারসাজিকে দায়ী করছেন, আবার কেউ মনে করছেন সরকার আন্তরিক এবং দ্রুত উদ্বোধনের চেষ্টা করছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ৪০ কোটি টাকার বেশি বাজেটে প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয় এবং ২০২৫ সালের আগস্টে উদ্বোধনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।
জাদুঘরটিতে ডিজিটাল ও ভিজ্যুয়াল প্রযুক্তির মাধ্যমে বিপ্লবের ইতিহাস উপস্থাপন করা হয়েছে। শহীদদের ব্যবহৃত সামগ্রী, চিঠিপত্র ও ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে। এটি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বায়ত্তশাসিতভাবে পরিচালিত হবে এবং দেশের বিভিন্ন ‘আয়নাঘর’কে শাখা জাদুঘর হিসেবে সংযুক্ত করা যাবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।