বাংলাদেশের সঙ্গে ঐতিহাসিক গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়ন নিয়ে যেকোনো আলোচনা বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো যৌথ নদী কমিশনের আওতাতেই হবে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত দ্বিসাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের অমীমাংসিত পানিসম্পদ ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নিয়ে প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল।
জয়সোয়াল বলেন, নদী ও পানিসম্পদসংক্রান্ত সব বিষয় যৌথ নদী কমিশনের আওতায় নির্ধারিত হয়। সংশ্লিষ্ট আলোচনায় উভয় পক্ষের বিষয়গুলো ওই কমিশনেই কারিগরি পর্যায়ে পর্যালোচনা করা হয়। উৎস অনুযায়ী, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সম্মানজনক ও টেকসই সমাধানে পৌঁছাতে দুই দেশের কূটনৈতিক ও কারিগরি পর্যায়ে তৎপরতা চলমান রয়েছে।
এদিকে প্রায় তিন বছরের বিরতির পর নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যবিষয়ক জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক শুরু হয়েছে। যুগ্ম সচিব পর্যায়ের বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এজেন্ডা, বিদ্যমান বাণিজ্য বাধা দূর করা এবং সীমান্ত বাণিজ্য স্বাভাবিক রাখার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকেরা এ আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়াকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।