জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর প্রধান ও অতিরিক্ত ডিআইজি মহিউল ইসলাম জানিয়েছেন, ২০২৫ সালে ৩২ হাজার ৩৮৬ জন কলারকে তাৎক্ষণিক জরুরি সেবা দেওয়া হয়েছে। রোববার তিনি জানান, নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ৯৯৯ কাজ করছে এবং সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন করে সহায়তা প্রদান করছে।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নীতিমালা-২০২০ অনুযায়ী নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা, হয়রানি, সম্মানহানি ও ইভটিজিংকে জরুরি সেবার আওতায় রাখা হয়েছে। এসব ঘটনায় ফোনকল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধির ফলে নারী নির্যাতন ও যৌন হয়রানি সংক্রান্ত কলের সংখ্যাও বাড়ছে।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ২৬ হাজার ৭৯৮ জন, ২০২৪ সালে ২৩ হাজার ৩৩ জন এবং ২০২৫ সালে ৩২ হাজার ৩৮৬ জন কলারকে তাৎক্ষণিক সেবা দেওয়া হয়েছে, যা ৯৯৯ সেবার প্রতি জনগণের নির্ভরতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।