১৭ বছর পর বাংলাদেশের প্রথম অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন ঘিরে নারীর অধিকারকর্মীরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। শেখ হাসিনার পতনের পর বৃহস্পতিবারের এই নির্বাচনে ইসলামপন্থী দল জামায়াতে ইসলামী শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এসেছে। আগস্ট ২০২৪-এ ছাত্রনেতৃত্বাধীন রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে হাসিনার পতনের পর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আশায় দেশজুড়ে উচ্ছ্বাস দেখা দিলেও, অনেক নারী আশঙ্কা করছেন যে রক্ষণশীল ইসলামী রাজনীতির পুনরুত্থান তাদের অর্জিত স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।
হাসিনা আমলে নিষিদ্ধ ও নিপীড়িত জামায়াতে ইসলামী এবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) পাশাপাশি বড় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। সংস্কার ও দুর্নীতিবিরোধী প্রচারণা চালালেও দলটি কোনো নারী প্রার্থী দেয়নি। দলের নেতার নারীনেতৃত্ব অস্বীকার ও বৈবাহিক ধর্ষণ অস্বীকারের মন্তব্য তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ছাত্রনেতাদের গঠিত ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি জামায়াতের জোটে যোগ দিয়ে মাত্র দুই নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ায় হতাশা আরও বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, তরুণ ভোটারদের মধ্যে জামায়াতের জনপ্রিয়তা পুরনো রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি বিরক্তির প্রতিফলন। তবে নারী সংগঠনগুলো সতর্ক করছে, নারীর কর্মঘণ্টা কমানোর মতো নীতিমালা তাদের অর্জিত সমতার অগ্রযাত্রাকে উল্টে দিতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।