Web Analytics

ফেনীর পরশুরাম সীমান্তের মুহুরীর চরের জমি নিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মালিকানা ও দখল বিরোধ ১৯৪৭ সালের বিভাজনের ৭৯ বছর পরও অমীমাংসিত রয়েছে। কাগজে-কলমে জমির মালিক বাংলাদেশিরা হলেও অনেকেই জমিতে যেতে বা চাষাবাদ করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন। দুই দেশের যৌথ জরিপের পর ৪৪টি অস্থায়ী কাঠের খুঁটি বসানো হলেও স্থায়ী সীমান্ত পিলার নির্মাণ হয়নি।

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ-ত্রিপুরা সীমান্তের মুহুরী নদী এলাকার প্রায় দুই কিলোমিটার অংশ অমীমাংসিত ছিল। ২০১১ সালের প্রটোকল-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে ৯২.১৪ একরের মধ্যে বাংলাদেশের জন্য ৭১.৯৪ একর এবং ভারতের জন্য ২০.২০ একরের কথা বলা হয়। তবে স্থানীয় একটি সূত্র দখলের ভিন্ন হিসাব দিয়েছে, যেখানে ৫২.৯৬ একর জমি অমীমাংসিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বিএসএফের বাধার কারণে তারা বহু বছর ধরে নিজেদের জমিতে যেতে পারছেন না। সহকারী জরিপ কর্মকর্তা পারভেজ মিয়া বলেন, যৌথ জরিপ ও সীমানা চিহ্ন স্থাপনের প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দেওয়া হয়েছে, তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ১৭ সেপ্টেম্বর পরশুরামে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে কৃষকেরা সমস্যার সমাধানে তাঁর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।