২০২৬ সালের ২ মার্চ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। হামলাটি সকালে তেহরানের মধ্যাঞ্চলের একটি কম্পাউন্ডে চালানো হয়, যেখানে খামেনি ও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা বৈঠকে ছিলেন। কয়েক মাস ধরে খামেনির দৈনন্দিন চলাচল ও রুটিন পর্যবেক্ষণের পর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ইসরাইলি জেটগুলো প্রায় ৩০টি বোমা ফেলে কম্পাউন্ডে আঘাত হানে।
নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্যমতে, হামলার গোয়েন্দা তথ্য আসে সিআইএ থেকে, যা ইসরাইলকে সরবরাহ করা হয়। ইসরাইল মূলত ইরানি নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, আর যুক্তরাষ্ট্র সামরিক স্থাপনায় মনোযোগ দেয়। এতে ইরানের তিনজন জ্যেষ্ঠ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা নিহত হন—আলি শামখানি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজিজ নাসিরজাদেহ ও জেনারেল মুহাম্মদ পাকপৌর। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানান, তিনি নিরাপদ আছেন।
খামেনির মৃত্যুর ফলে ইরানের অভ্যন্তরীণ স্থিতি ও আঞ্চলিক সংঘাতের গতিপথে কী প্রভাব পড়বে, তা এখনো স্পষ্ট নয়, যদিও দেশটি আগে থেকেই উত্তরসূরি নির্ধারণের পরিকল্পনা করেছিল।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।