আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২০০২ সালের ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর আদলে কোনো অভিযান না চালানোর পক্ষে মত দিয়েছেন একটি মন্তব্যধর্মী লেখার লেখক। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও ইউটিউব চ্যানেলে এ ধরনের পদক্ষেপের আলোচনা হচ্ছে। তবে বিচারবহির্ভূত হত্যার আশঙ্কা আছে এমন কর্মসূচি মানবাধিকার লঙ্ঘন করবে এবং গণতান্ত্রিক সরকারের গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ করতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।
লেখাটিতে শেখ হাসিনার সাবেক সরকারকে নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংস, দুর্নীতি, মানবাধিকার লঙ্ঘন, বিচার বিভাগ দলীয়করণ এবং সার্বভৌমত্ববিষয়ক ছাড় দেওয়ার জন্য দায়ী করা হয়েছে। লেখকের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং ২০২৪ সালের বিপ্লবের সময়ে সরকারটি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার পেছনে এ ইতিহাস ভূমিকা রাখে।
লেখক বলেন, অপারেশন ক্লিন হার্টের কার্যকারিতা ও আইনগত বৈধতা এখনো বিতর্কিত; বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগে সেনাবাহিনীকে রক্ষায় ইনডেমনিটি আইনও করা হয়েছিল। তাঁর মতে, অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। পুলিশে প্রয়োজনীয় জনবল, যানবাহন ও অস্ত্রশস্ত্র বাড়ানো এবং কথিত ফ্যাসিবাদের দোসরদের চিহ্নিত করে শুদ্ধি অভিযান শেষ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রস্তাবিত সাইবার সিকিউরিটি আইন নিয়েও মানবাধিকার সংগঠনের সঙ্গে মতবিরোধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।