এল নিনোর প্রভাবে খরা ও বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় বলিভিয়াজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। গত শনিবার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ এ-সংক্রান্ত একটি ডিক্রিতে সই করেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রয়োজনীয় সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে এবং দুর্যোগে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধারকারী দল মোতায়েন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট পাজ বলেছেন, এল নিনোর কারণে খরা ও বন্যার ‘খুব ভয়াবহ প্রভাব’ পড়তে পারে এবং পরিস্থিতি সামলাতে সব প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা প্রয়োজন। সরকারের চলতি সপ্তাহের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বলিভিয়ার নয়টি বিভাগের মধ্যে ছয়টিতে খরার প্রভাব পড়েছে। এতে ৭৮ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং খরার কারণে ৭৫ হাজারের বেশি গবাদিপশু মারা গেছে।
দেশটিতে বন্যার ঝুঁকিও রয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সান্তা ক্রুজ অঞ্চলে বন্যায় অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। চলতি এল নিনো চক্র ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে; এর প্রভাব ২০২৬ সালের শেষ দিকে সবচেয়ে বেশি হওয়ার কথা এবং ২০২৭ সালজুড়েও তা থাকতে পারে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছিল, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রভাব অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা প্রায় ১০০ শতাংশ।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।