সোমবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদে একাধিক বিস্ফোরণে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। জাদরিয়াহ এলাকায় ইরান-সমর্থিত পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ)-এর ব্যবহৃত একটি ভবনে বিমান হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়। দূতাবাসের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কয়েকটি ড্রোন আটকায়, তবে একটি ড্রোন কম্পাউন্ডের ভেতরে আঘাত হানে বলে জানা গেছে। দূতাবাসের কাছেই আল রশিদ হোটেলে আরেকটি ড্রোন আঘাত হানে, এতে অগ্নিকাণ্ড ঘটলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে ইরাকের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
ইরান-ঘনিষ্ঠ শিয়া গোষ্ঠীগুলোর সমন্বয়ে গঠিত পিএমএফ ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনীর অংশ। ইরাকি সেনাবাহিনী আল-কাইমে পিএমএফ চেকপয়েন্টে সন্দেহভাজন মার্কিন হামলাকে “বিশ্বাসঘাতক ও কাপুরুষোচিত” বলে নিন্দা জানিয়েছে, যেখানে অন্তত আটজন সৈন্য নিহত হয়। হামলার পর নিরাপত্তা বাহিনী গ্রিন জোনের সব রাস্তা সাঁজোয়া যান দিয়ে বন্ধ করে দেয়।
একই দিনে বসরার মাজনুন তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলার খবর পাওয়া যায় এবং কাতাইব হিজবুল্লাহর এক জ্যেষ্ঠ কমান্ডারের মৃত্যুর ঘোষণা আসে। ইরাকের তেলমন্ত্রী জানান, তুরস্কগামী একটি পাইপলাইন এক সপ্তাহের মধ্যে চালু হবে, যা বন্ধ থাকা তেল রপ্তানি পুনরায় শুরু করতে সহায়তা করবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।