মধুপুর জাতীয় উদ্যানের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাঁচটি স্থানে বন্যপ্রাণীর নিরাপদ চলাচলের জন্য পাঁচটি রোপওয়ে উড়ালসেতু নির্মাণ করেছে বন বিভাগ। মহাসড়কটি বনের দুই অংশকে বিভক্ত করেছে, ফলে প্রাণীরা রাস্তা পার হতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হতো। গাছে স্থাপিত এই রোপওয়ে ব্যবহার করে বানর, হনুমান ও অন্যান্য বৃক্ষবাসী প্রাণীরা এখন নিরাপদে রাস্তা পার হতে পারছে।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ধীরগতিতে গাড়ি চালানোর নির্দেশনা থাকলেও অনেক চালক তা মানেন না, ফলে প্রাণী মৃত্যুর ঘটনা ঘটত। স্থানীয় সাংবাদিক লিটন সরকার বলেন, প্রতিদিন অসংখ্য যানবাহন চলাচল করে এবং দর্শনার্থীদের দেওয়া খাবার খেতে এসে প্রাণীরা প্রায়ই মারা যায়। তিনি দর্শনার্থীদের জন্য আলাদা স্পট নির্ধারণ ও উড়ালসেতুর সংখ্যা বাড়ানোর পরামর্শ দেন, কারণ বর্তমান পাঁচটি সেতু বনাঞ্চলের তুলনায় যথেষ্ট নয়।
বন কর্মকর্তারা আশা করছেন, এই রোপওয়ে নির্মাণের ফলে বন্যপ্রাণীর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে এবং বন উজাড় ও খাদ্য সংকটে বিপন্ন প্রাণীদের মৃত্যুহার কমে আসবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।