বর্তমান বিএনপি সরকার সার আমদানিতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় পড়েছে, যা আগের আওয়ামী লীগ সরকারের রেখে যাওয়া প্রশাসনিক কাঠামোর ফল বলে জানা গেছে। চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরে প্রকৃত চাষযোগ্য জমির হিসাব যাচাই না করেই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এক লাখ টন কম সার কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক জানিয়েছেন, সার কেনা হয় সরকারের উচ্চপর্যায়ের নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবং কোনো সংকট হবে না বলে আশা করা হচ্ছে। তবে মাঠপর্যায়ের কৃষিবিদরা সতর্ক করেছেন, প্রকৃত চাহিদা উপেক্ষা করলে তীব্র সংকট দেখা দিতে পারে।
কৃষক ও কৃষি অর্থনীতিবিদদের মতে, ইউরিয়া ও ডিএপি সারের বরাদ্দ কমানোয় আগের মতো সংকটের পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে। কিশোরগঞ্জসহ কয়েকটি জেলা থেকে বরাদ্দ কম পাওয়ার অভিযোগ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এতে খাদ্য উৎপাদন কমে যেতে পারে এবং সরকারের ইতিবাচক কৃষি উদ্যোগগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের জাতীয় সার সমন্বয় ও পরামর্শক কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা সার উৎপাদন, আমদানি ও বিতরণ পর্যালোচনা করবে। তবে কৃষিমন্ত্রী ও সচিবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।