ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) অডিটরের সংখ্যা বাড়ানোর চেয়ে অডিট রিপোর্টের গুণগত মান ও যথার্থতাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট সাব্বীর আহমেদ এফসিএ। আমার দেশকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, অর্থনীতির আকার ও ব্যবসার ধরন বদলানোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে অডিটরদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং পরিবর্তিত বিধিবিধান বিষয়ে জ্ঞান বাড়াতে কাজ করছে আইসিএবি।
তিনি বলেন, অডিটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং ভুল তথ্য থাকলে তা বিভ্রান্তিকর ফল দিতে পারে। জাল অডিট রিপোর্ট ঠেকাতে আইসিএবি ২০২০ সালে ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম চালু করে। এর মাধ্যমে কোম্পানির নাম, অডিটরের নাম ও নিরীক্ষা বছর যাচাই করা যায় এবং একই প্রতিষ্ঠানের একাধিক আর্থিক প্রতিবেদন তৈরির অনিয়ম রোধ হয়েছে।
ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি বিষয়ে অডিটররা সঠিক তথ্য প্রকাশ করেছেন কি না, আইসিএবি তা পরীক্ষা করছে বলে জানান আহমেদ। তিনি বলেন, ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও পুরোপুরি কার্যকর না হওয়া ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলকে শক্তিশালী করা দরকার। চেয়ারম্যান হিসেবে স্বার্থের সংঘাতহীন একজন পেশাদার চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট নিয়োগ এবং আইসিএবি ও এফআরসির পরিপূরক ভূমিকার ওপরও তিনি জোর দেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।