ঝিনাইদহের বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতগুলোতে বর্তমানে ২০ হাজার ৫১৪টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে, যা বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। গত এক মাসে মোট ৯৯২টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পূর্ণ বিচারে ২৯৮টি এবং ছয়টি উপজেলা-ভিত্তিক আমলী আদালতে পূর্ণ বিচারে ৬৯৪টি মামলা শেষ হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালেও প্রায় দুই হাজার মামলা বিচারাধীন।
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৫৯৩টি এবং অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক হাজার ৩৭১টি মামলা চলমান। বিভিন্ন সিনিয়র ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতেও হাজার হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। একই সময়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রক্রিয়ায় ২৭৮ জন আসামি খালাস পেয়েছেন এবং অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ১৪০ জনকে সাজা দেওয়া হয়েছে।
আইন বিশেষজ্ঞরা বিচারক সংকট ও নিয়মিত নতুন মামলা বৃদ্ধিকে জটের কারণ বলেছেন। বিচারপ্রার্থীরা দীর্ঘ সময় হাজিরা, শুনানি না হওয়া এবং অতিরিক্ত খরচের অভিযোগ করেছেন। ট্রাইব্যুনালের পিপি আকিদুল ইসলাম দ্রুত সাক্ষ্যগ্রহণ, অপ্রয়োজনীয় মূলতবি কমানো ও বিচারক সংকট দূর করার কথা বলেন। জেলা পিপি অ্যাডভোকেট মশিয়ূর রহমান বিচারক বাড়ানো, এজলাস সংকট দূর করা এবং সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।