খুলনা মহানগরীর শামসুর রহমান রোডের রংধনু ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং আব্দুল্লাহ প্যাথলজিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠান দুটির কর্তৃপক্ষের দাবি, হামলাকারীরা পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা চেয়েছে এবং টাকা না দিলে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। এক নারী কর্মী অভিযোগ করেন, স্বামীকে মারধরে বাধা দিতে গেলে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয় এবং তাঁর ঠোঁটে আঘাত লাগে।
ওই কর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে পাঁচ থেকে সাতজন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানে ঢোকেন এবং বাইরে আরও ১০ থেকে ১২ জন ছিলেন। পরে হামলাকারীর সংখ্যা ৪০ থেকে ৫০ জনে পৌঁছায় বলে তিনি দাবি করেন। তাঁরা দরজায় লাথি মেরে ভেতরে ঢোকেন, ইটপাটকেল ছোড়েন ও ভাঙচুর চালান। হামলাকারীরা প্যাথলজি ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
খুলনা সদর থানার ওসি লোকমান হোসেন চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, একজন রোগীর পরীক্ষার রিপোর্ট দিতে ৭২ ঘণ্টা দেরি হবে জানানোকে কেন্দ্র করে ভুল বোঝাবুঝি ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, পরে বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে। সাম্প্রতিক অন্য হামলা ও চাঁদা দাবির অভিযোগ নগরীর বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।