Web Analytics

রাজনৈতিক বিশ্লেষক সাইফুল খানের এক মন্তব্যে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের অবনতির জন্য দায়ভার ভারতের। ২০২৬ সালের ১১ জানুয়ারি প্রকাশিত এই লেখায় তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জনগণের একটি বড় অংশ মনে করে ভারত দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত ব্যক্তি ও পলাতকদের আশ্রয় দিয়ে এসেছে, যা দুই দেশের পারস্পরিক আস্থাকে ক্ষয় করেছে। লেখায় বলা হয়েছে, ভারত সম্পর্ক রক্ষায় সমতার বদলে ক্ষমতার ভাষা ব্যবহার করছে, যার প্রতিফলন সীমান্ত হত্যা, পানিবণ্টন বৈষম্য ও সাংস্কৃতিক প্রভাব বিস্তারের মতো ইস্যুতে দেখা যায়।

লেখক ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে বলেন, স্বাধীনতার পর সহযোগিতার ভিত্তিতে শুরু হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা ও রাজনীতির কারণে সন্দেহ বেড়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, পলাতক অপরাধীদের প্রত্যর্পণে ভারতের অনীহা, নদী নিয়ন্ত্রণে একতরফা পদক্ষেপ এবং ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রভাব বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে অসন্তোষ বাড়িয়েছে। এসব কারণে ভারত-বিরোধী মনোভাব কোনো রাজনৈতিক কৌশল নয়, বরং জনগণের অভিজ্ঞতার ফল।

খান সতর্ক করেন, ভারত যদি আধিপত্যবাদী নীতি অব্যাহত রাখে, তবে বাংলাদেশ বিকল্প কৌশলগত সম্পর্কের দিকে যেতে পারে। তিনি সমতা, ন্যায়বোধ ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে নতুন সম্পর্ক গঠনের আহ্বান জানান।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!