কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডে নতুন তথ্য পাওয়া গেছে। তনুর পোশাক থেকে তিনজনের শুক্রাণুর পাশাপাশি চতুর্থ ব্যক্তির রক্তের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম। তিনি জানান, প্রায় এক মাস আগে সিআইডি থেকে এই তথ্য পাওয়া যায়। এতে সন্দেহভাজনের সংখ্যা চারজনে দাঁড়িয়েছে।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু। পরে তার লাশ সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের কাছে একটি জঙ্গলে পাওয়া যায়। এরপর থেকে থানা-পুলিশ, ডিবি ও সিআইডি পর্যায়ক্রমে তদন্ত করলেও মামলার রহস্য উদঘাটন সম্ভব হয়নি। বর্তমানে মামলাটি পিবিআই তদন্ত করছে, যা এখন পর্যন্ত ষষ্ঠবারের মতো তদন্ত কর্মকর্তার হাতে রয়েছে।
২০২৬ সালের ২১ এপ্রিল অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়। তার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে তনুর পোশাকের নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে বলে জানানো হয়েছে, তবে রোববার পর্যন্ত পরীক্ষার ফল পাওয়া যায়নি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।