কুড়িগ্রামের রৌমারীর সীমান্তবর্তী দাঁতভাঙা ইউনিয়নের সাতকড়াইবাড়ি গ্রামে স্থানীয় নারীরা সীমান্ত পরিস্থিতিতে বিজিবির পাশে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন। ১২ জুলাই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপে তারা বলেন, বিএসএফের উসকানি বা আগ্রাসনের মুখে তারা শুধু দর্শক থাকেন না; প্রয়োজন হলে বিজিবির সঙ্গে প্রতিরোধে অংশ নেন। সীমান্ত এলাকার শিশু-কিশোররাও এই সহযোগিতায় যুক্ত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাতখাই গ্রামের নুনিজান, যিনি প্রায় ৫০ বছর ধরে সীমান্তের কাছে বসবাস করছেন, বলেন দেশের ক্ষতি ঠেকাতে প্রয়োজনে জীবন দিতেও তারা দ্বিধা করবেন না। শাহানা বেগম জানান, বর্তমানে তাদের এলাকা শান্ত এবং স্থানীয়দের সঙ্গে বিজিবি সদস্যদের সম্পর্ক সহযোগিতামূলক। অনুপ্রবেশ বা রোহিঙ্গাসংক্রান্ত সন্দেহজনক তথ্য পেলে স্থানীয়রা দ্রুত বিজিবিকে জানায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শাহানা বেগম ২০০১ সালের ১৮ এপ্রিলের বড়াইবাড়ি যুদ্ধের সময় স্থানীয়দের বিজিবিকে আশ্রয় ও দায়িত্ব পালনে সহায়তার কথা তুলে ধরেন। মেহেরচান বলেন, গবাদিপশু নিয়ে শূন্যরেখার কাছে গেলে বিজিবি সতর্ক করে। কিশোর রাব্বি ও ইসরাফিল টহলরত সদস্যদের পানি দেওয়া, সন্দেহজনক তৎপরতার খবর জানানো এবং উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে এলাকা পাহারা দেওয়ার কথা বলেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।