নিবন্ধটিতে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক গ্যাস সংকটের পেছনে দেশীয় উৎপাদন কমে যাওয়া, আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর বাড়তি নির্ভরতা এবং একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়াকে দায়ী করা হয়েছে। সংকটে গ্যাস স্টেশনে দীর্ঘ যানজট, কারখানার উৎপাদন কমে যাওয়া, বাসাবাড়িতে গ্যাসের অভাব, বাড়তি ভাড়া এবং গরমে লোডশেডিং দেখা দেয়। প্রধানমন্ত্রীর জনদুর্ভোগের জন্য দুঃখ প্রকাশের কথাও বলা হয়েছে। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ড ও যান্ত্রিক ত্রুটির পর সেটি বন্ধ হওয়ায় তীব্র সংকট শুরু হয়।
দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ঘনফুট, আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশীয় উৎপাদন ছিল দৈনিক ১ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ঘনফুট। ২০১৬-১৮ সালে উৎপাদন ছিল প্রায় ২ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ঘনফুট। আবিষ্কৃত ৩০টি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে ২০টি থেকে উৎপাদন চলছে এবং সেখানে আনুমানিক ৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট মজুত রয়েছে। নিবন্ধে স্থলভাগ ও সমুদ্রে অনুসন্ধান, কূপ খনন এবং থ্রি-ডি সিসমিক জরিপের ঘাটতির কথা বলা হয়েছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ১০৯ কার্গো এলএনজি আমদানি হয়েছে এবং ২০২৬ সালে প্রায় ১১৫ কার্গো আনার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকার ১৫০টি গ্যাসকূপ খনন ও আরও দুটি ভাসমান টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে। নিবন্ধে সমুদ্রে অনুসন্ধান বাড়ানো এবং জ্বালানি খাতের অভিযোগগুলোর স্বচ্ছ পর্যালোচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।