বাংলাদেশে নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন জানিয়েছেন, চীনের সঙ্গে অতিরিক্ত সম্পৃক্ততার সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে তিনি বাংলাদেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সরকারকে স্পষ্টভাবে অবহিত করবেন। দায়িত্ব গ্রহণের ছয় দিন পর ঢাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। গত অক্টোবরে মার্কিন সিনেটে নিয়োগ শুনানিতেও তিনি একই বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। ক্রিস্টেনসেন বলেন, কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে যুক্ততা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে এবং তিনি তা অন্তর্বর্তী ও নির্বাচিত উভয় সরকারের কাছে তুলে ধরবেন।
রাজধানীর ইএমকে সেন্টারে আয়োজিত এক আলোচনায় তিনি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের নানা দিক তুলে ধরেন। তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ক্রমে জোরদার হচ্ছে। নৌবাহিনীর সঙ্গে ‘টাইগার শার্ক’ এবং সেনাবাহিনীর সঙ্গে ‘টাইগার লাইটনিং’ মহড়ার মতো যৌথ কার্যক্রমের মাধ্যমে সামরিক সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছর প্রায় ১৫ লাখ ডলার ব্যয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পেশাদার সামরিক শিক্ষায় সহায়তা দিচ্ছে।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অংশীদার দেশগুলোর সামরিক চাহিদা পূরণে বিভিন্ন বিকল্প ব্যবস্থা দেয় এবং প্রয়োজনে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে বাংলাদেশের বাজেট ও সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।