রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫ হাজার ৫৫২ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ মাসে গড়ে প্রায় ৬৯৪ জন এবং দিনে গড়ে ২৩ জন মারা গেছেন। একই আট মাসে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯০ জন, বহির্বিভাগে ৩ লাখ ৭৮ হাজার ২৪৪ জন এবং ভর্তি হয়েছেন ৮১ হাজার ৮৪১ জন। বাড়তি রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
চিকিৎসকদের মতে, ২৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সিদের মধ্যেও হার্ট অ্যাটাক ও হৃদরোগের প্রবণতা বাড়ছে। পারিবারিক ইতিহাস, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, অতিরিক্ত ওজন, উচ্চ রক্তচাপ ও মানসিক চাপকে ঝুঁকির কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তারা। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, দেশে প্রতি বছর হৃদরোগে ২ লাখ ৫ হাজারের বেশি মানুষ মারা যান এবং প্রায় ১০ লাখ মানুষ আক্রান্ত হন।
জেলা পর্যায়ের অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় হৃদরোগ চিকিৎসা ও বিশেষায়িত সেবা না থাকায় রোগীরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকামুখী হচ্ছেন। এনজিওগ্রাম, স্টেন্ট স্থাপন, বাইপাস সার্জারি ও ক্যাথল্যাবের সুবিধা মূলত ঢাকাকেন্দ্রিক। বিশেষজ্ঞরা ২৫ বছর বয়সের আগেই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং স্বাস্থ্যসচেতনতা গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন। বুকের মাঝখানে তীব্র ব্যথা চোয়াল, বাম কাঁধ বা হাতে ছড়িয়ে পড়লে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।