বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি এবং উৎপাদন ব্যয় বাড়ায় বাংলাদেশের হস্তচালিত বেকারি শিল্প চাপে পড়েছে। শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, গ্যাসের চাপ না থাকা ও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় চুলা চালানো কঠিন হচ্ছে এবং অন্তত ১২০০ হস্তচালিত বেকারি বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। উৎপাদন চালু রাখতে অনেক উদ্যোক্তা বেশি খরচে সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার করছেন।
বাংলাদেশ ব্রেড, বিস্কুট অ্যান্ড কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক রেজু বলেন, সারা দেশে সমিতির প্রায় ১২ হাজার সদস্য চরম ব্যবসায়িক সংকটে আছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, অনেক কারখানায় ২৪ ঘণ্টায় তিন ঘণ্টাও গ্যাসের চাপ থাকে না। লোডশেডিংয়ে বিদ্যুৎনির্ভর উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, অথচ শ্রমিক বসিয়ে রেখেও বেতন দিতে হচ্ছে। গত কয়েক মাসে অধিকাংশ কাঁচামালের দাম ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বেড়েছে বলে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন।
সমিতির সদস্যরা শনিবার থেকে পণ্যের দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যদিও সভাপতি জালাল উদ্দিন বলেন, সমিতির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। রেজাউল হক রেজুর দেওয়া ধারণা অনুযায়ী, ৫০ টাকার পাউরুটি ৬০ টাকা এবং ১০ টাকার বনরুটি ও কেক ১৫ টাকা হতে পারে। ৫ টাকার বিস্কুটের দাম অপরিবর্তিত রেখে আকার কিছুটা ছোট করা হবে। মূল্য সমন্বয়ের প্রস্তুতিতে কয়েক দিন উৎপাদন ও সরবরাহ বন্ধ থাকায় বাজারে সংকট দেখা দেয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।