চট্টগ্রাম নগরীর হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী দিঘি ও জলাধার পুনরুদ্ধারে সংশ্লিষ্ট সব সেবা সংস্থার সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন বক্তারা। ২৭ জুলাই ২০২৬ সকালে লালখান বাজারের একটি রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তারা পারস্পরিক দোষারোপ বন্ধের আহ্বান জানান। সভায় সভাপতিত্ব করেন নগর-পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন মজুমদার এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চুয়েটের ডিন ড. মোহাম্মদ রাশিদুল হাসান।
বক্তাদের মতে, চট্টগ্রামে ইতোমধ্যে প্রায় ২১ হাজার পুকুর ও জলাশয় হারিয়ে গেছে। শুধু আইন প্রয়োগ বা জরিমানা করে এসব জলাশয় রক্ষা সম্ভব হচ্ছে না বলে তারা উদ্বেগ জানান। তাই নিজস্ব প্লটে পুকুর সংরক্ষণকারীদের হোল্ডিং ট্যাক্সে ছাড় ও নকশা অনুমোদনে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। অন্যদের কাছ থেকে পরিবেশ সারচার্জ নিয়ে সেই অর্থ সংরক্ষণকারীদের প্রণোদনা হিসেবে দেওয়ার নীতির ওপরও জোর দেওয়া হয়।
সভায় নগরীর গ্রিন জোন ও ওয়াটার রিজার্ভ এলাকা সংরক্ষণের তাগিদ দেওয়া হয়। অবশিষ্ট জলাশয় রক্ষা ও হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সিডিএ, চট্টগ্রাম ওয়াসা, চসিকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি ওঠে। সিডিএর প্রকল্প পরিচালক ও নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ মইনুদ্দিন মেগা জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের সিডিএ অংশের অগ্রগতি তুলে ধরেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।