চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ভারত সফরের মধ্যে অরুণাচল প্রদেশের ভারত-চীন সীমান্তে নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে স্যাটেলাইট চিত্রে বিতর্কিত এলাকায় নতুন সড়ক, ভবন ও হেলিপ্যাড নির্মাণের প্রমাণ পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। দুর্গম সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, চীনা বাহিনীর অগ্রগতি ও অবকাঠামো নির্মাণে তাদের ঐতিহ্যগত ইয়াক চরানো, শিকার ও জীবিকার এলাকায় প্রবেশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
ভ্যান্টর আপার সুবানসিরি উপত্যকার কয়েকটি এলাকায় সাম্প্রতিক পরিবর্তন শনাক্ত করেছে। জেনসের বিশ্লেষণে তিব্বতের লুনজে কাউন্টির উত্তরে ঝারি শহরের আশপাশে অন্তত দুটি এলাকায় উল্লেখযোগ্য নির্মাণ তৎপরতার কথা উঠে এসেছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, কিছু অবকাঠামো ভারত ও চীনের উভয়ের দাবিকৃত ভূখণ্ডে পড়ছে এবং এগুলোর সামরিক ব্যবহার হতে পারে, যদিও তা নিশ্চিত নয়।
অল তাগিন স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সভাপতি তাদাক পাকবার নেতৃত্বে আট সদস্যের দল ১১ থেকে ১৩ আগস্ট গেলেমো ও তাসকিং সফর করে তথ্য সংগ্রহ করে। তাদের প্রতিবেদনে দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে। নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটিও অভিযোগ করেছে, পিপলস লিবারেশন আর্মি স্থানীয়দের ঐতিহ্যগত ব্যবহার করা এলাকায় সড়ক, সেতু ও সামরিক ক্যাম্প নির্মাণ করছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।