তুরস্ক ও ইসরাইলের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। আন্তর্জাতিক জলসীমায় গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার ওপর হামলার ঘটনায় তুরস্ক ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে। এর জবাবে নেতানিয়াহু তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের বিরুদ্ধে কুর্দিদের গণহত্যার অভিযোগ তোলেন। পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটও তুরস্ককে নতুন ইরান বলে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেন।
গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধ, সিরিয়ার রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং গ্রিস ও সাইপ্রাসের সঙ্গে ইসরাইলের সম্পর্ক এই বিরোধকে আরও গভীর করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সম্পর্ক আরও অবনতি হলে তুরস্ক আজারবাইজানের তেল সরবরাহ বন্ধ করা বা ইসরাইলি বিমানের জন্য আকাশসীমা বন্ধ করার মতো পদক্ষেপ নিতে পারে। এতে ইসরাইলের জ্বালানি ও বিমান খাতে স্বল্পমেয়াদী প্রভাব পড়তে পারে, যদিও বিকল্প বাজার ও রুটের কারণে দীর্ঘমেয়াদে প্রভাব সীমিত থাকবে।
২০২৪ সালের পর থেকে বাণিজ্য কমে গেলেও কিছু তুর্কি পণ্য তৃতীয় দেশের মাধ্যমে ইসরাইলে পৌঁছায়। তুরস্কের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ও আঞ্চলিক জোট পুনর্গঠন ইসরাইলের ওপর প্রভাব বিস্তারের কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।